ড্রিম গার্ল ২ঃআয়ুষ্মান খোরানার দুর্দান্ত অভিনয়
হ্যালো কেমন আছেন সবাই আশা করি ভালো আছেন আজকে আমি একটু রিভিউ হাজির হয়েছি বেশ অনেকদিন ধরে ভাবছি রিভিউটি লিখবে। কিন্তু লেখা হয়ে ওঠেনি।
আজকে আমরা রিভিউ ্লিখতে বসেছি আয়ুষ্মান খোরান সিনেমা ড্রিম গার্ল ২ ,আপনার নিশ্চয়ই অনেকে ড্রিম গার্ল ওয়ান দেখেছেন এর পরের সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে সিনেমার টিম ড্রিম গার্ল টু আনার ঘোষণা দেয়।
রিভিউ শুরুতেই বলে দিচ্ছি আমি এখানে কয়েকটি প্লট নিয়ে আলোচনা করব যেমন ধরুন সিনেমার প্রেক্ষাপট গল্পের ধরন অভিনয় প্রেজেন্টেশন আমারও প্রায় সবকিছুর একটা ধারণা দেয়ার চেষ্টা করব।
চলুন তবে শুরু করা যাক....
ড্রিম গার্ল ২০২৩ সালে ইন্ডিয়ান ভাষার একটি কমেডিয়ান ড্রামা সিনেমা নির্মান করেছেন রাজ সিনধালিয়া । এযাবত কালে তিনি বেশ কয়েকটি সিনেমা পরিচলনা করেছেন তবে কাপুর এবং শ্রদ্ধা কাপুর দুজনে মিলে এই সিনেমাটি(ড্রিম গার্ল ২)প্রযোজনা করেছেন।
এই ক্ষেত্রে নায়িকার একটি পরিবর্তন ঘটেছে প্রথম সিনেমাতে অভিনয় করেছিলেন নুসরাত ভাগরী দ্বিতীয় সিনেমাতে অভিনয় করেছেন অন্যন্যা পান্ডে ড্রিম গার্ল টুতে আর বাকি সব চরিত্রগুলোই প্রায় সেইম। বাকিটা আপনারা সিনেমা দেখলেই বুঝতে পারবেন যারা ড্রিম গার্ল ১ দেখেছেন তারা ড্রিম গার্ল ২ দেখলেই বুঝতে পারবেন ।
ছবিটি রিলিজ হয় পঁচিশ আগস্ট ১৩৪ মিনিট এ সিনেমাতে আয়ুষ্মান খোরানার দুর্দান্ত পারফরমেশন ইনস্ট্রেশন গুড প্লে।
ড্রিম গার্ল টু তে ড্রিম গার্ল ১ এর সাথে কিছুটা মিল রেখে বাকিটা গল্পটা একটা ইউনিক ভাবে দেখানোর চেষ্টা করেছে। প্রথম সিনেমার সাথে স্ট্রাকচার সেইম বিল্ড আপ রেখে কিছু অংশে পরিবর্তন ঘটি আবার নতুন সিনেমাটির গল্প দেখার চেষ্টা করেছে এটা আমার কাছে খুব একটা এডজাস্ট ফুল মনে হয়নি। কারণ প্রতি একটা প্লটকে সেন্ড করে দেখিয়েছে যদি আমি ঠিক স্পয়লার নয়, আমি ঠিক একটু আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে এটুকু বলে রাখছি যেখানে দুটো তোমার অভিজ্ঞতাতেই বেকার ছেলেটি তার কাছে চাকরি নেই বিধায় সে ক্যারিয়ারে পিছিয়ে আছে জীবনের টানা পড়া নিয়ে এমনটা আবার দ্বিতীয় (ড্রিম গার্ল টু) . ড্রিঙ্গাল টু এর ক্ষেত্রেও ব্যাপারটি প্রায় সেইমই রেখেছে সেখানেও চাকরির অভাবগ্রস্ত একটি ছেলের নারী সেজে অবস্থান তৈরি করা। আমার কাছে মনে হয়েছিল যে গল্পটা বিভিন্ন ধরনের হতে পারতো। তবে এতোটুকু বলা যাচ্ছে স্রেফ বিনোদনের জায়গা থেকে দর্শক ভালো কিছু দেখবে।
প্রথমত বলে রাখতে হয় যে এই সিনেমার চরিত্র সিলেকশনে সব চরিত্রগুলি সেইম রেখেছে শুধু নায়িকাটি কে বদলে দিয়েছে সেখানে প্রথম নুসরাত গাগরি অভিনয় করেছিলেন সেখানে এবার অনন্যা পান্ডে।
আয়ুষ্মান বাদে তেমন কোন সবার চরিত্রের ডেপথ আমি খুঁজে পাইনি আমার কাছে ড্রিম গার্ল টু মনে হয়েছে যে আয়ুষ্মান ভিত্তিক সিনেমা, পুরো সিনেমাতে আয়ুষ্মানে ভরপুর বাকি চরিত্রগুলো পুরো সাপোর্টিং এর জায়গা ছিল।
নুসরাত যেভাবে অভিনয় করেছিল অনন্যা পান্ডের মধ্যে কিছুটা খামটি দেখা গিয়েছে আমরা সে বিষয়টা নিয়ে একটু পরে আলোচনা করছি প্রথম বলছি যে অল ওভার থেকে আয়ুষ্মান খোরানা স্ট্যান্ডিং পারফরম্যান্স শুরুতেই বলেছি বাকিদের চরিত্রদের আমি খুব একটা ডেপথ খুঁজে পাইনি কিন্তু এন্টারটেইনমেন্টের জন্য কেউ কোনো কমতি ছিল না সবাই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিয়েছে হ্যাঁ আপনি যদি সেরফ বিনোদনের জন্য সিনেমাটি দেখতে যান আমি বলব ছবিটা দেখতে পারবেন। সিনেমাটিতে আয়ুষ্মান মোস্ট ইনফ্লেমেশন actor of the year পুরস্কার জিতেছে। সিনেমাটিতে তার বন্ধু জিতেছে বেস্ট পারফরম্যান্স অফ দা ইয়ার (মানজিত সিং)।
তবে ছবিটির মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে আমার মেকআপ খুব perfection ভাবে আয়ুষ্মানকে বদলে দেওয়া হয় নারী চরিত্রের জন্য যেখানে তা কিছুটা খামতির জায়গা ছিল আমার কাছে মনে হয়েছে কয়েক জায়গায় লজিক্যাল খুঁজতে হয় না এর জন্য আপনি হয়তো কস্টিমের জায়গাটা লজিক খুঁজতেছেন আমি মনে করি না খোজাই বেটার।
ড্রেস নিয়ে কথা বলতে গেলে কস্টিউম যেগুলো দরকার হয় আয়োজন যেটা সবচেয়ে চোখে লেগেছে সেটা হচ্ছে সেট ডিজাইন কিছুটা জায়গায় মনে হয়েছে আরেকটু এডজাস্টমেন্ট করলে খুব বেটার আউট বের হতো যাইহোক ওভারল গুড।
সিনেমাটিরক্লাইম্যাক্স নিয়ে একটু আলোচনা করি ক্লাইম্যাক্সটা আমার কাছে মনে হয়েছে খুব সিলি এবং এভারেজ কোন সিনেমার মতোই শেষ করা হয়েছে খুব একটা চমকপ্রদ লাগেনি।
সিনেমাটি নিয়ে এখনো আলোচনায় চলছে আপনি সিনেমাটি দেখে আমাকে জানাবেন সিনেমাটি আপনার কাছে কেমন লাগলো।
আমি বলব ছবিটি দেখতে পারেন তবে এতোটুকু বলছি আপনি বোরিং ফিল করবেন না ছবিটা খুবই এক্সাইটিং এন্টারটেইনমেন্ট ফুল চাওমিন। আপনি একটি বিষয়কে মনে রাখবেন কমেডি ড্রামার বা সিনেমার উদ্দেশ্য হলো মানুষকে হাসানো।
ছবিটি আপনারা বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্মে তো পেয়ে যাবেন তবে যদি আপনার নেটফিলিক্স এ সাবস্ক্রিপশন করা থাকে তাহলে আপনি নেট থেকে খুব সহজেই মাস্টার প্রিন্ট দেখে নিতে পারবেন।
ছবিটি নির্মাণ করেছেন রাজ শান্ডিল্য।
ছবিটি অভিনয় করেছেন আয়ুষ্মান খুরানা, কন্যা পান্ডে, পরেশ রাওয়াল আরো অনেকে।
ছবিটি বক্স অফিস কালেকশন করেছিল
বাজেট ছিল ৩৫০ মিলিয়ন ইন্ডিয়ান রুপি।
বক্স অফিস কালেকশন করেছিল ছয় বিলিয়ন ইন্ডিয়ান রুপি। (Only the first 2500 characters could be translated each time)
হ্যালো কেমন আছেন সবাই আশা করি ভালো আছেন আজকে আমি একটু রিভিউ হাজির হয়েছি বেশ অনেকদিন ধরে ভাবছি রিভিউটি লিখবে। কিন্তু লেখা হয়ে ওঠেনি।
আজকে আমরা রিভিউ ্লিখতে বসেছি আয়ুষ্মান খোরান সিনেমা ড্রিম গার্ল ২ ,আপনার নিশ্চয়ই অনেকে ড্রিম গার্ল ওয়ান দেখেছেন এর পরের সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে সিনেমার টিম ড্রিম গার্ল টু আনার ঘোষণা দেয়।
রিভিউ শুরুতেই বলে দিচ্ছি আমি এখানে কয়েকটি প্লট নিয়ে আলোচনা করব যেমন ধরুন সিনেমার প্রেক্ষাপট গল্পের ধরন অভিনয় প্রেজেন্টেশন আমারও প্রায় সবকিছুর একটা ধারণা দেয়ার চেষ্টা করব।
চলুন তবে শুরু করা যাক....
ড্রিম গার্ল ২০২৩ সালে ইন্ডিয়ান ভাষার একটি কমেডিয়ান ড্রামা সিনেমা নির্মান করেছেন রাজ সিনধালিয়া । এযাবত কালে তিনি বেশ কয়েকটি সিনেমা পরিচলনা করেছেন তবে কাপুর এবং শ্রদ্ধা কাপুর দুজনে মিলে এই সিনেমাটি(ড্রিম গার্ল ২)প্রযোজনা করেছেন।
এই ক্ষেত্রে নায়িকার একটি পরিবর্তন ঘটেছে প্রথম সিনেমাতে অভিনয় করেছিলেন নুসরাত ভাগরী দ্বিতীয় সিনেমাতে অভিনয় করেছেন অন্যন্যা পান্ডে ড্রিম গার্ল টুতে আর বাকি সব চরিত্রগুলোই প্রায় সেইম। বাকিটা আপনারা সিনেমা দেখলেই বুঝতে পারবেন যারা ড্রিম গার্ল ১ দেখেছেন তারা ড্রিম গার্ল ২ দেখলেই বুঝতে পারবেন ।
ছবিটি রিলিজ হয় পঁচিশ আগস্ট ১৩৪ মিনিট এ সিনেমাতে আয়ুষ্মান খোরানার দুর্দান্ত পারফরমেশন ইনস্ট্রেশন গুড প্লে।
ড্রিম গার্ল টু তে ড্রিম গার্ল ১ এর সাথে কিছুটা মিল রেখে বাকিটা গল্পটা একটা ইউনিক ভাবে দেখানোর চেষ্টা করেছে। প্রথম সিনেমার সাথে স্ট্রাকচার সেইম বিল্ড আপ রেখে কিছু অংশে পরিবর্তন ঘটি আবার নতুন সিনেমাটির গল্প দেখার চেষ্টা করেছে এটা আমার কাছে খুব একটা এডজাস্ট ফুল মনে হয়নি। কারণ প্রতি একটা প্লটকে সেন্ড করে দেখিয়েছে যদি আমি ঠিক স্পয়লার নয়, আমি ঠিক একটু আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে এটুকু বলে রাখছি যেখানে দুটো তোমার অভিজ্ঞতাতেই বেকার ছেলেটি তার কাছে চাকরি নেই বিধায় সে ক্যারিয়ারে পিছিয়ে আছে জীবনের টানা পড়া নিয়ে এমনটা আবার দ্বিতীয় (ড্রিম গার্ল টু) . ড্রিঙ্গাল টু এর ক্ষেত্রেও ব্যাপারটি প্রায় সেইমই রেখেছে সেখানেও চাকরির অভাবগ্রস্ত একটি ছেলের নারী সেজে অবস্থান তৈরি করা। আমার কাছে মনে হয়েছিল যে গল্পটা বিভিন্ন ধরনের হতে পারতো। তবে এতোটুকু বলা যাচ্ছে স্রেফ বিনোদনের জায়গা থেকে দর্শক ভালো কিছু দেখবে।
প্রথমত বলে রাখতে হয় যে এই সিনেমার চরিত্র সিলেকশনে সব চরিত্রগুলি সেইম রেখেছে শুধু নায়িকাটি কে বদলে দিয়েছে সেখানে প্রথম নুসরাত গাগরি অভিনয় করেছিলেন সেখানে এবার অনন্যা পান্ডে।
আয়ুষ্মান বাদে তেমন কোন সবার চরিত্রের ডেপথ আমি খুঁজে পাইনি আমার কাছে ড্রিম গার্ল টু মনে হয়েছে যে আয়ুষ্মান ভিত্তিক সিনেমা, পুরো সিনেমাতে আয়ুষ্মানে ভরপুর বাকি চরিত্রগুলো পুরো সাপোর্টিং এর জায়গা ছিল।
নুসরাত যেভাবে অভিনয় করেছিল অনন্যা পান্ডের মধ্যে কিছুটা খামটি দেখা গিয়েছে আমরা সে বিষয়টা নিয়ে একটু পরে আলোচনা করছি প্রথম বলছি যে অল ওভার থেক...
Leave a comment
Your email address will not be published. Required fields are marked *