৭৫ বছর বয়সে চলে গেলেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম শক্তিশালী অভিনেতা
কিছু অভিনেতা পর্দায় অভিনয় করেন। আর কিছু অভিনেতা পর্দায় উঠলেই চরিত্র হয়ে যান। নানা পাটেকর ছিলেন দ্বিতীয় দলের মানুষ।
যে মুখে রাগ দেখলে দর্শক অস্বস্তি বোধ করত, যে কণ্ঠে একটি সংলাপ শুনলেই দৃশ্যের ওজন বদলে যেত, সেই নানা পাটেকর আর নেই।
ভারতীয় চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান এই অভিনেতা বৃহস্পতিবার সকালে ৭৫ বছর বয়সে মারা গেছেন। গোয়ার ডোনা পাওলার নিজের বাসভবনে গুরুতর কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের পর তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকেরা প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর ফেরানো যায়নি এই অভিনেতাকে।
নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই ভারতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সহকর্মী থেকে দর্শক, সবাই যেন একই কথা বলছেন, এমন একজন শিল্পীকে হারানো শুধু একজন অভিনেতঅভিনয় যার কাছে শুধু অGaman দিয়ে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করেছিলেন নানা পাটেকর। এরপর ধীরে ধীরে নিজের জন্য এমন একটি জায়গা তৈরি করেন, যেখানে তাঁকে অন্য কারও সঙ্গে তুলনা করা কঠিনParinda, Prahaar, Krantiveer, Tirangaa, Khamoshi, Welcome থেকে Natsamrat। চরিত্র বদলেছে, সময় বদলেছে, সিনেমার ভাষা বদলেছে, কিন্তু নানা পাটেকরের অভিনয়ের তীব্রতা বদলায়নি।
কখনো তিনি ছিলেন ভয়ংকর, কখনো ভেঙে পড়া এক মানুষ, কখনো হাসির চরিত্রে দর্শকদের পেট ধরে হাসিয়েছেন। আব-এর মতো ছবিতে নিজের অভিনয় দিয়ে দর্শকের চোখে জলও এনেছেন।
তাঁর অভিনয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল সম্ভবত তাঁর স্বাভাবিকতা। তিনি সংলাপ বলতেন না, মনে হতো চরিত্রটি নিজের ভেতর থেকে কথাগুলো বের করে আন‘নটসম্রাট’ থেকে ‘উদয় শেঠি’নানা পাটেকরের ক্যারিয়ারকে একটিমাত্র চরিত্র দিয়ে বোঝানো সম্ভব নযWelcome ছবির উদয় শেঠিকে মনে করলে আজও হাসি আসে। অথচ সেই একই মানুষNatsamrat-এ যখন একজন ভেঙে পড়া বৃদ্ধ অভিনেতার চরিত্রে দাঁড়িয়েছিলেন, তখন দর্শকের সামনে যেন সম্পূর্ণ অন্য একজন নানা পাটেকর হাজির হয়েছিলেন।
এই বৈচিত্র্যই তাঁকে আলাদা করেছিল।
তিনি শুধু হিন্দি সিনেমায় নয়, মারাঠি চলচ্চিত্রেও নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছিলেন। অভিPrah ছবির মাধ্যমে নির্মাতা হিসেবেও নিজের সৃজনশীলতার পরিচয় দিয়েছিলেন। ২০১৩ সালে তিনি পদ্মশ্রী সম্মান পান।পর্দা থেকে মানুষটির চলে যাওয়ানানা পাটেকরের চলে যাওয়ার খবরটি হয়তো আজ সংবাদ। কয়েক দিন পর এটি হয়ে যাবে স্মৃতি।
কিন্তু সিনেমার কিছু মানুষকে কি সত্যিই হারানো যায়?
একটি পুরোনো সিনেমা চলবে। হঠাৎ তাঁর কণ্ঠ শোনা যাবে। কোনো সংলাপে তাঁর মুখ মনে Welcome দেখে কেউ হাসবে, Natsamrat দেখে কারও চোখ ভিজবে, Krantiveer কিংবা Parinda দেখে কেউ আবার মনে করবে সেই পুরোনো নানা পাটেকরকে।
তখন হয়তো মনে হবে, মানুষটি নেই, কিন্তু অভিনেতাটি কোথাও যাননি।
কারণ একজন সত্যিকারের অভিনেতার শরীর থেমে যায়, তাঁর চরিত্রগুলো থামে না।
নানা পাটেকর চলে গেলেন।
ভারতীয় সিনেমা হারাল এক স্বতন্ত্র কণ্ঠ, এক তীব্র উপস্থিতি, এক অসম্ভব শক্তিশালী অভিনেতপর্দা নামল একজন কিংবদন্তির।
কিন্তু তাঁর অভিনয় থেকে গেল সিনেমার ভেতর।
This book offers to-do lists for almost everything you need to transform your life. It empowers you to rightfully take back the power to heal your body, naturally. Using simple yet efficient resources and tools such as replacing medicine with food, mastering the art of listening to your gut feelings, breaking up with sugar and gluten, choosing meals of your own liking and so on, you can become the master (read CEO) of your health.
Buy Nowবিজ্ঞাপন সংযুক্তি: এই লিংক থেকে ক্রয় করলে FameFeed একটি কমিশন পেতে পারে।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
নানা পাটেকর কত বছর বয়সে মারা গেছেন?
তিনি ৭৫ বছর বয়সে মারা গেছেন।
নানা পাটেকরের মৃত্যুর কারণ কী?
গোয়ার ডোনা পাওলার নিজের বাসভবনে গুরুতর কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের পর তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসকদের চেষ্টা সত্ত্বেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি।
নানা পাটেকর কোন কোন বিখ্যাত সিনেমায় অভিনয় করেছেন?
তিনি Parinda, Prahaar, Krantiveer, Tirangaa, Khamoshi, Welcome এবং Natsamrat-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করেছেন।
নানা পাটেকর কবে পদ্মশ্রী সম্মান পেয়েছিলেন?
তিনি ২০১৩ সালে পদ্মশ্রী সম্মান পান।
নানা পাটেকর কি শুধু অভিনেতা ছিলেন, নাকি অন্য ভূমিকায়ও কাজ করেছেন?
তিনি অভিনয়ের পাশাপাশি Prah
সম্পর্কিত খবর

মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!